কারো অন্তরে যদি থাকে "ইখলাস"
সাথে নেক "আমল" ও "হালাল উপার্জন" । তাহলে বালা মুসিবতে পতিত হলে আল্লাহর পক্ষ হতে সবর ও ধৈর্যের পরীক্ষা মনে করতে পারে ।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারীমে বলেন -
وَلَنَبْلُوَنَّكُم بِشَىْءٍ مِّنَ ٱلْخَوْفِ وَٱلْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ ٱلْأَمْوَٰلِ وَٱلْأَنفُسِ وَٱلثَّمَرَٰتِۗ وَبَشِّرِ ٱلصَّٰبِرِينَ *
ٱلَّذِينَ إِذَآ أَصَٰبَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوٓا۟ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّآ إِلَيْهِ رَٰجِعُونَ *
অর্থ -
এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরীক্ষা করব; এবং ঐ সব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর । যাদের উপর কোন বিপদ নিপতিত হলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই জন্য এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।
- সূরা বাকারা - ১৫৫-১৫৬
এমতাবস্থায় তার করণীয় হবে আল্লাহর ফায়সালার উপর সবর করা এবং নেক আমল বাড়িয়ে দেয়া ।
আর কারো অন্তরে যদি "ইখলাস" না থাকে, "আমলে ও উপার্জনে" ভেজাল থাকে, তাহলে এই মুসিবত গুলো নিজের হাতের কামাই মনে করতে পারে ।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারীমে বলেন -
ظَهَرَ ٱلْفَسَادُ فِى ٱلْبَرِّ وَٱلْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى ٱلنَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ ٱلَّذِى عَمِلُوا۟ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ
অর্থ -
মানুষের কৃতকর্মের কারণে সমুদ্রে ও স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে তাদেরকে কোন কোন কর্মের শাস্তি তিনি আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে।
সূরা রূম - ৪১
তার জন্য করণীয় হবে খাঁটি তওবা করে কুরআনের নির্দেশিত পথে চলা ।
-তাদাব্বুর ফিল কুরআন
